সময়ের কথা ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭:৪৬
৩ মিনিটে পড়ুন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের তারকা পেসার মার্ক উড। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী এই পেসার ছিলেন নিজের সময়ে বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির বোলার। চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ৩৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৫ সালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল উডের। এরপর ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট শিকার করেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকেও ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ৩৮ ম্যাচে ৫৪ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি উইকেটশিকারিদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে থেকে বিদায় নিচ্ছেন উড। ওয়ানডেতে ৭০ ম্যাচে তার শিকার ৮০ উইকেট।
২০১৯ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল উডের। সেই আসরে ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ঘণ্টায় ৯৫ মাইলের বেশি গতিতে বল করার সামর্থ্য দিয়ে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নিয়মিত চাপে রেখেছিলেন এই পেসার।
বিশ্বকাপ ফাইনালেও দেশের প্রতি তার নিবেদন ছিল স্পষ্ট। পাশের পেশিতে চোট থাকা সত্ত্বেও পুরো গতিতে বোলিং করে গেছেন উড। ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে।
এরপর ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের শিরোপাজয়ী দলের সদস্য ছিলেন উড। ওই আসরে চার ম্যাচে নেন ৯ উইকেট। ফলে ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপ জয়ের অংশ হয়ে থাকলেন তিনি।
অ্যাশেজেও উডের ক্যারিয়ারের বেশ কিছু স্মরণীয় অধ্যায় রয়েছে। চারটি অ্যাশেজ সিরিজে অংশ নিয়েছেন তিনি। ২০১৫ সালে নিজের প্রথম অ্যাশেজ সিরিজেই ট্রেন্ট ব্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার শেষ উইকেটটি তুলে নিয়ে অ্যাশেজ জয়ের পথ নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।
২০২৩ সালের অ্যাশেজেও উডের পারফরম্যান্স ছিল আলোচিত। হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার দুর্দান্ত স্পেল ইংল্যান্ডকে সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। সিরিজের শুরুতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত সিরিজ ড্র করতে সক্ষম হয়।
তবে গত এক বছরে চোট ও শারীরিক সমস্যার কারণে উডের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছিল। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে উড বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গত এক বছরে যা ঘটেছে, তাতে হয়তো এই সিদ্ধান্ত খুব একটা বিস্ময়কর নয়। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়ে এটিই স্বাভাবিক সময় বলে মনে হচ্ছে।’
চোট থেকে ফিরে বারবার নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান উড। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় চোট কাটিয়ে ফিরে আসার জন্য দৃঢ় থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং আমি কী করতে পারি, সেটা সবাইকে দেখাতে চেয়েছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার আমি লড়াইয়ে হেরে গেলাম।’
চিকিৎসকদের পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করে উড বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, টেস্ট ও ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। গত এক বছরে ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্নটা আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে।’
ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান ও স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন উড।
তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জীবনে পাওয়া সবচেয়ে বড় সম্মান এবং এমন একটি স্বপ্ন, যা সত্যি হয়েছে। আমার ভেতরের ছোট্ট ছেলেটি ইংল্যান্ডের হয়ে এত বেশি ক্রিকেট খেলতে পেরে নিশ্চয়ই ভীষণ খুশি হতো।’
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ, অসাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়াকেও নিজের সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন তিনি।
উড বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করা, অসাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে ক্রিকেট খেলা—এমন একটি কাজ করতে পেরেছি, যেটিকে আমি ভালোবাসি। এ জন্য নিজেকে অবিশ্বাস্যভাবে ভাগ্যবান মনে করি।’
মার্ক উডের অবসর নিয়ে ইংল্যান্ড পুরুষ দলের ক্রিকেট ব্যবস্থাপনা বিভাগের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রব কি-ও প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘একজন অসাধারণ ক্যারিয়ারের শেষ অংশটি কাছ থেকে দেখতে পারা ছিল দারুণ এক সৌভাগ্য। অ্যাশেজ সিরিজের জয়ে, দুটি বিশ্বকাপ জয়ে দলের জন্য আলাদা কিছু করে দেখানো এবং প্রতিবার হাতে বল তুলে নেওয়ার সময় দর্শকদের রোমাঞ্চিত করা—এমন কীর্তি খুব কম খেলোয়াড়ই অর্জন করতে পারে।’
উডের ক্যারিয়ার নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রব কি। তার ভাষায়, ‘সে তার ক্যারিয়ারের দিকে বিশাল গর্ব নিয়ে ফিরে তাকাতে পারে। তার ক্যারিয়ার সত্যিই অত্যন্ত সফলভাবে কাটানো একটি ক্যারিয়ার।’
ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট, ৭০ ওয়ানডেতে ৮০ উইকেট এবং ৩৮ টি-টোয়েন্টিতে ৫৪ উইকেট—এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় তিন সংস্করণেই দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন মার্ক উড। দুই বিশ্বকাপ জয়, চারটি অ্যাশেজ সিরিজ এবং ঘণ্টায় ৯৫ মাইলের বেশি গতিতে বল করার জন্য পরিচিত এই পেসার এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধ্যায় শেষ করলেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের তারকা পেসার মার্ক উড। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী এই পেসার ছিলেন নিজের সময়ে বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির বোলার। চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ৩৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৫ সালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল উডের। এরপর ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট শিকার করেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকেও ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ৩৮ ম্যাচে ৫৪ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি উইকেটশিকারিদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে থেকে বিদায় নিচ্ছেন উড। ওয়ানডেতে ৭০ ম্যাচে তার শিকার ৮০ উইকেট।
২০১৯ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল উডের। সেই আসরে ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ঘণ্টায় ৯৫ মাইলের বেশি গতিতে বল করার সামর্থ্য দিয়ে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নিয়মিত চাপে রেখেছিলেন এই পেসার।
বিশ্বকাপ ফাইনালেও দেশের প্রতি তার নিবেদন ছিল স্পষ্ট। পাশের পেশিতে চোট থাকা সত্ত্বেও পুরো গতিতে বোলিং করে গেছেন উড। ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে।
এরপর ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের শিরোপাজয়ী দলের সদস্য ছিলেন উড। ওই আসরে চার ম্যাচে নেন ৯ উইকেট। ফলে ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপ জয়ের অংশ হয়ে থাকলেন তিনি।
অ্যাশেজেও উডের ক্যারিয়ারের বেশ কিছু স্মরণীয় অধ্যায় রয়েছে। চারটি অ্যাশেজ সিরিজে অংশ নিয়েছেন তিনি। ২০১৫ সালে নিজের প্রথম অ্যাশেজ সিরিজেই ট্রেন্ট ব্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার শেষ উইকেটটি তুলে নিয়ে অ্যাশেজ জয়ের পথ নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।
২০২৩ সালের অ্যাশেজেও উডের পারফরম্যান্স ছিল আলোচিত। হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার দুর্দান্ত স্পেল ইংল্যান্ডকে সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। সিরিজের শুরুতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত সিরিজ ড্র করতে সক্ষম হয়।
তবে গত এক বছরে চোট ও শারীরিক সমস্যার কারণে উডের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছিল। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে উড বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গত এক বছরে যা ঘটেছে, তাতে হয়তো এই সিদ্ধান্ত খুব একটা বিস্ময়কর নয়। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়ে এটিই স্বাভাবিক সময় বলে মনে হচ্ছে।’
চোট থেকে ফিরে বারবার নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান উড। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় চোট কাটিয়ে ফিরে আসার জন্য দৃঢ় থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং আমি কী করতে পারি, সেটা সবাইকে দেখাতে চেয়েছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার আমি লড়াইয়ে হেরে গেলাম।’
চিকিৎসকদের পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করে উড বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, টেস্ট ও ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। গত এক বছরে ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্নটা আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে।’
ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান ও স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন উড।
তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা আমার জীবনে পাওয়া সবচেয়ে বড় সম্মান এবং এমন একটি স্বপ্ন, যা সত্যি হয়েছে। আমার ভেতরের ছোট্ট ছেলেটি ইংল্যান্ডের হয়ে এত বেশি ক্রিকেট খেলতে পেরে নিশ্চয়ই ভীষণ খুশি হতো।’
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ, অসাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়াকেও নিজের সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন তিনি।
উড বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করা, অসাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া এবং বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ও বিপক্ষে ক্রিকেট খেলা—এমন একটি কাজ করতে পেরেছি, যেটিকে আমি ভালোবাসি। এ জন্য নিজেকে অবিশ্বাস্যভাবে ভাগ্যবান মনে করি।’
মার্ক উডের অবসর নিয়ে ইংল্যান্ড পুরুষ দলের ক্রিকেট ব্যবস্থাপনা বিভাগের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রব কি-ও প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘একজন অসাধারণ ক্যারিয়ারের শেষ অংশটি কাছ থেকে দেখতে পারা ছিল দারুণ এক সৌভাগ্য। অ্যাশেজ সিরিজের জয়ে, দুটি বিশ্বকাপ জয়ে দলের জন্য আলাদা কিছু করে দেখানো এবং প্রতিবার হাতে বল তুলে নেওয়ার সময় দর্শকদের রোমাঞ্চিত করা—এমন কীর্তি খুব কম খেলোয়াড়ই অর্জন করতে পারে।’
উডের ক্যারিয়ার নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রব কি। তার ভাষায়, ‘সে তার ক্যারিয়ারের দিকে বিশাল গর্ব নিয়ে ফিরে তাকাতে পারে। তার ক্যারিয়ার সত্যিই অত্যন্ত সফলভাবে কাটানো একটি ক্যারিয়ার।’
ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৮ টেস্টে ১১৯ উইকেট, ৭০ ওয়ানডেতে ৮০ উইকেট এবং ৩৮ টি-টোয়েন্টিতে ৫৪ উইকেট—এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় তিন সংস্করণেই দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন মার্ক উড। দুই বিশ্বকাপ জয়, চারটি অ্যাশেজ সিরিজ এবং ঘণ্টায় ৯৫ মাইলের বেশি গতিতে বল করার জন্য পরিচিত এই পেসার এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধ্যায় শেষ করলেন।